“ফেসবুকে ‘হ্যাঁ–না’ প্রচারণার রাজনীতি: নতুন গণমত গড়ার প্রয়াস”
ফেসবুকে ‘হ্যাঁ–না’ পোস্টের প্রতিযোগিতা এখন নতুন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। গণভোটকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় গড়ে উঠছে নতুন গণমত ও প্রচারণার তরঙ্গ। জানুন বিস্তারিত।
৩০ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২৯ AM
মধ্যরাতের অন্ধকারে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হলো এক নতুন রাজনৈতিক যুদ্ধ — “হ্যাঁ–না” পোস্টের প্রতিযোগিতা। মোবাইল স্ক্রীনগুলো আজ অনুষ্ঠানের মঞ্চ, যেখানে গণভোটকে ঘিরে উঠেছে উত্তেজনা ও প্রচারণার নতুন রূপ।
বিপক্ষে দল ও অঙ্গসংগঠন গড়ে তুলেছে “না” পোস্ট ক্যাম্পেইন, চলচ্চিত্র-তত্ত্বে হাতেখড়ি দেওয়া নতুন রাজনৈতিক গোষ্ঠী “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন” ও গণঅভ্যুত্থান সমর্থকরা ছুটেছেন “হ্যাঁ” পোস্ট দিয়ে। সাধারণ ছাত্রনেতা নাছির উদ্দীন নিজেও “না” পোস্ট করেছেন, আর সমান্তরালে আন্দোলন গোষ্ঠীর ভেরিফায়েড পেজে “হ্যাঁ” পোস্টের ঝড়।
এই নতুন কার্যকলাপে সরাসরি প্রবেশ করেছে নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ক রাজনীতি। নির্বাচন ঘোষণার আগে একেকটা পোস্ট হয়ে উঠছে বক্তব্য, প্রতিশ্রুতি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা — সবই ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
একই সময়, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ঘোষণা করেছে, সংবিধান সংশ্লাষ এবং গণভোট সুপারিশপত্র নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তারা দাবি করেছে, আগামী সংসদের প্রথম ৯ মাসের মধ্যেই একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে এবং যদি ২৭০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ না হয়, তাহলে “জুলাই সনদ”-এর সুপারিশ নিজেদের অবস্থানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
এই ধরনের দ্রুত সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চক্রান্ত ও প্রচারণার মাঝে যে নতুন সম্প্রসারণ ঘটাচ্ছে, তা স্পষ্ট। খুব সম্ভব ভবিষ্যতে ফেসবুক পোস্টই হয়ে উঠতে পারে সরাসরি রাজনৈতিক বলভূমি, ভোটপ্রক্রিয়ার অঙ্গ।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0

